১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রাম থানায় পুলিশের কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিবের পরিবার ও কনকাপৈত ইউনিয়ন আ”লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা,সরোয়ারদী মেম্বারের রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত, কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের অভিযানে ফেনসিডিল, গাঁজাসহ ৪জন আটক চৌদ্দগ্রামে বিলকিছ আলম পাঠাগার পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস,এম,মুঞ্জুরুল হক কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম নিউ বিসমিল্লাহ সুইর্টস এর শুভ উদ্ধোধন চৌদ্দগ্রামে ভ্রাম্যমান আদালতে বিভিন্ন দোকানে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা চাঞ্চল্যকর মামলায় পলাতক আসামী স্ত্রী রোকেয়া আক্তার শিউলী কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৭, গুনবতীর দুবাই প্রবাসীকে হত্যা করে সন্তান নিয়ে রাতের আঁধারে উধাও স্ত্রী চৌদ্দগ্রামে হাজী সিদ্দিকুর রহমানের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন চৌদ্দগ্রামে মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব শুভাকাক্ষী নিয়ে নৌকা ভ্রমণ ও মিলন মেলা ২০২১ অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় থানাতে কর্মরত অবস্থায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু !
  • প্রচ্ছদ
  • অর্থনীতি >> ঐতিহ্য >> লিড
  • ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম
  • ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম

    অনলাইন ডেস্ক

    ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম

    ইলিশ উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। সুস্বাদু এই মাছ উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থান আরও মজবুত করেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশই উৎপাদিত হচ্ছে এই দেশে। মাত্র চার বছর আগেও এই উৎপাদনের হার ছিল ৬৫ শতাংশ।

    সরকারের নানা কার্যকর পদক্ষেপের ফলে ধারাবাহিকভাবে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    মৎস্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ডফিশের চলতি মাসের হিসাবে এ তথ্য উঠে এসেছে।
    ভারতে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুই দিনব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে অন্যতম আলোচনার বিষয় ছিল বাংলাদেশে কীভাবে ইলিশের উৎপাদন বাড়ল।

    ওয়ার্ল্ডফিশের তথ্যমতে, বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলংকা ও পাকিস্তানে ইলিশের উৎপাদন কমেছে। বাংলাদেশের পরই ইলিশের উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে ভারত। পাঁচ বছর আগে দেশটিতে বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ ইলিশ উৎপাদিত হতো। তবে চলতি বছর তাদের উৎপাদন প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশে নেমেছে। এছাড়া তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মিয়ানমার।

    দেশটিতে ৩ শতাংশের মতো উৎপাদন হয়েছে। আর ইরান, ইরাক, কুয়েত ও পাকিস্তানে বাকি ইলিশ উৎপাদন হয়েছে।
    এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, মা ও জাটকা ইলিশ ধরা বন্ধ করায় আমাদের এখানে এই সাফল্য এসেছে। ইলিশের বড় হওয়ার জন্য অভয়াশ্রমগুলো বাড়ানো এবং সুরক্ষা দেয়াও ভূমিকা রেখেছে। ইলিশ ধরার জালের আকৃতি নতুনভাবে নির্ধারণ করায় ভবিষ্যতে আরো বাড়বে ইলিশের উৎপাদন।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে প্রতিবছর ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে এই মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এ কর্মসূচিও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

    এদিকে ওয়ার্ল্ডফিশ, মৎস্য অধিদফতর ও মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবার শুধু পরিমাণের দিক থেকেই নয়, আকৃতির দিকে থেকেও কোনও দেশ বাংলাদেশের ইলিশের ধারেকাছে নেই।

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের মৎস্য অধিদফতর, মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট ও ওয়ার্ল্ডফিশ ২০১৮-১৯ সালে বাংলাদেশ যৌথভাবে ইলিশের জিনগত বৈশিষ্ট্য ও গতিবিধি নিয়ে প্রথম একটি গবেষণা করে।

    সূত্রঃ বিডি প্রতিদিন

    আরও পড়ুন

    error: Content is protected !!